জন্ম নিবন্ধন ১৭ ডিজিট করার নিয়ম

আজকে আমাদের ওয়েবসাইটে জন্ম নিবন্ধন 17 ডিজিট করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। তবে এই নিয়ম আপনারা আনঅফিশিয়াল ভাবে করে নিতে পারবেন এবং জরুরী ভিত্তিতে কোন কাজ করার ক্ষেত্রে এই নিয়ম অনুসরণ করতে পারবেন। পরবর্তীতে অবশ্যই আপনাদেরকে জন্ম নিবন্ধন সনদ এর নাম্বার 17 ডিজিট করার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে অথবা ডিজিটালাইজড করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের যোগাযোগ করতে হবে। যারা বুঝতে পারছেন না যে আপনাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ এর নাম্বার কম কেন এবং কিভাবে 17 ডিজিট করতে হবে তারা আজকের এই পোষ্ট পড়লে সকল ধারণা বুঝতে পারবেন।

তাহলে চলুন আমরা কথা না বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ 17 ডিজিট করার নিয়ম সম্পর্কে আনঅফিসিয়াল নিয়ম জেনে নিন এবং অফিশিয়াল করার জন্য কোন ধরনের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে তাও এখানে আলোচনা করব। এর আগে যখন জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করা হতো তখন হাতে লিখে তৈরি করা হতো এবং এর ফলে আগের জন্ম নিবন্ধন সনদ এর সঙ্গে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ এর বেশ কিছু পার্থক্য থেকে গিয়েছে।

জন্ম নিবন্ধন সনদ বর্তমান সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তৈরি করা হচ্ছে এবং এই জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করার ক্ষেত্রে অভিভাবকের জন্ম নিবন্ধন সনদ আবশ্যিক থাকা লাগছে।কিন্তু আরে কার জন্ম নিবন্ধন সনদ এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের নিয়ম মানা হয়নি এবং যেকোনো ধরনের তথ্য প্রদান করে এটি তৈরি করা হয়েছে বলে অনেকের জন্ম নিবন্ধন সনদের এখন তথ্য সংশোধন করা লাগছে। তথ্য সংশোধন সহ বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আপনারা যখন ওয়েবসাইটে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদের নম্বর এবং জন্মতারিখ প্রদান করছেন এবং তথ্য যাচাই করছেন তখন দেখছেন যে কোন ধরনের তথ্য আপনাদের সামনে প্রদর্শন করা হচ্ছে না।

জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজি করবেন যেভাবে ২০২৩

এক্ষেত্রে আপনাদেরকে আমরা আমাদের অন্যান্য পোস্টগুলো দিয়েছিলাম যে কারো যদি জন্ম নিবন্ধন সনদের নাম্বার 13 ডিজিটের হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে অবশ্যই সেই নম্বরের সর্বপ্রথমে চার ডিজিটের জন্মসাল দিয়ে পূরণ করা লাগবে। কিন্তু অনেকের জন্ম নিবন্ধন সনদ এর জন্ম সাল থাকার পরেও তা 16 ডিজিটের হয়ে আছে এবং 16 ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন সনদ নাম্বার এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে তথ্য অনুসন্ধান করলে তথ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে না বলে অনেকেই চিন্তিত।

তাই আপনার যদি জন্ম নিবন্ধন সনদের নাম্বার 16 ডিজিটের হয়ে থাকে অথবা 13 ডিজিটের হয়ে থাকে তাহলে আজকেই আপনারা তা ডিজিটাল করে নিন এবং এর জন্য আপনাদেরকে স্থানীয় সরকার বিভাগ অথবা নিবন্ধকের কার্যালয় গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

তাই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি দ্রুত গতিতে এবং সবচাইতে কম সময়ে 17 ডিজিট করতে চান তাহলে এখান থেকে আনঅফিসিয়াল নিয়ম জেনে নিন। অর্থাৎ কোথায় কোন ডিজিটাল বসিয়ে আপনাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ এর 17 ডিজিট পূর্ণ হবে তা জানতে এখান থেকে আপনারা মনযোগ দিয়ে পড়া শুরু করুন। আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি 16 ডিজিটের হয়ে থাকে তাহলে প্রথম 11 ডিজিটের পরে আপনাকে একটি অতিরিক্ত শুন্য বসিয়ে নিতে হবে। আর শেষের দিক থেকে হিসাব করলে আপনাদেরকে শেষের 5 ডিজিট এর আগে একটি শুন্য বসিয়ে নিবেন। প্রকৃতপক্ষে এই পাঁচ ডিজিট আপনার পরিচয় পত্র নাম্বার।

একটি জন্ম নিবন্ধন সনদের যে জন্ম নিবন্ধন সনদ নম্বর প্রদান করা হয় সেটি প্রথমে জন্মসাল প্রদান করা হয় তারপরে ঠিকানা সংক্রান্ত কোড প্রদান করার পর ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার প্রদান করা হয়। তাই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি জরুরি ভিত্তিতে 17 ডিজিট করতে চান তাহলে এগারোটার পর একটি অতিরিক্ত শূন্য যোগ করুন এবং এভাবে 17 ডিজিট পূর্ণ করুন। যেহেতু এটি একটি আনঅফিসিয়াল প্রক্রিয়া এবং এটির মাধ্যমে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না সেহেতু আপনাদেরকে অবশ্যই স্থানীয় সরকার বিভাগ এ যোগাযোগ করতে হবে এবং তারা যেভাবে আবেদন করতে বলে সেই ভাবে আবেদন সম্পন্ন করে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের ডিজিটালাইজড করে নিন।

জন্ম নিবন্ধন সনদ ছাড়া ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার নিয়ম https://everify.bdris.gov.bd

জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোডের নিয়ম

2023 সালে জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার নতুন নিয়ম আমাদের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারেন। যারা ইতোমধ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌরসভা থেকে তৈরি করে নিতে পেরেছেন, তারা যদি অনলাইন থেকে জন্ম নিবন্ধন সনদ এর সফট কপি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটের এই পোস্ট আপনাকে সেই দিক নির্দেশনা প্রদান করবে।

অর্থাৎ আপনি আপনার নিজস্ব ডিভাইস ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য যাচাই করার পাশাপাশি ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই আমাদের ওয়েবসাইটের এই দিকনির্দেশনা আপনারা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং সেই অনুসারে জন্ম নিবন্ধন সনদ যে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে সেখানে প্রবেশ করে সেই অনুযায়ী ডাউনলোড করে নিন।

প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ একটা গুরুত্বপূর্ণ কাগজ এবং এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা যায়। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভর্তির ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদের নাম্বার প্রয়োজন হবে। আবার আপনি যদি বিদেশ ভ্রমণ করতে চান অথবা গাড়ির জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের গুরুত্ব অনেক বেশি।

অবশ্য অনেক ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়েও কাজ করা যায়। তারপরও আপনার যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করা না থাকে তাহলে আজকেই করে নিন এবং এই ক্ষেত্রে অবহেলা না করাই ভালো। আর জাতীয় পরিচয় পত্র সংগ্রহ থাকলে এটির গুরুত্ব কেউ হেলাফেলা করবেন না। আজকে আপনাদের উদ্দেশ্যে আমরা জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করতে যাচ্ছি এবং নিচের paragraph-a এ সম্পর্কে তথ্য জেনে নিন।

যে ফলাফলগুলো প্রদর্শিত হবে তার ভেতর থেকে প্রথম পেজ এর প্রথম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। সেখানে প্রবেশ করার পরে আপনারা হয়তো অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন এবং সেখানে ডাউনলোড নামক কোন অপশন নেই বলে আপনারা তথ্য যাচাই বা তথ্য অনুসন্ধান এর অপশন এর উপরে ক্লিক করবেন। তাহলে আপনাদের সামনে একটি নতুন পেজ ওপেন হয়ে যাবে এবং সেখানে দুইটি ফাঁকা ঘর পেয়ে যাবেন।

প্রথম ঘরে জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর নাম্বার উল্লেখ করবেন। জন্ম নিবন্ধন সনদের এই নাম্বার আপনারা জন্ম নিবন্ধন কার্ড থেকেই পেয়ে যাবেন। যদি কোন হবে এটা হারিয়ে ফেলেন তাহলে আপনি আপনার পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন কাউন্সিল এর সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। আর যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ থেকে থাকে তাহলে সঠিক ঘরে সঠিক তথ্য প্রদান করে পরবর্তী ঘরে গিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ এর জন্ম তারিখ অনুযায়ী তা লিপিবদ্ধ করুন।

এরপরে সাবমিট বাটন নামক একটি অপশন পাবেন এবং সেখানে ক্লিক করার মাধ্যমে নতুন একটি পেজ ওপেন হয়ে যাবে। যদি জন্ম নিবন্ধন সনদের সঠিক নাম্বার এবং সঠিক জন্ম তারিখ প্রদান করতে পারেন তাহলে আপনারা সেই তথ্য অনুযায়ী একটি জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর ছবি দেখতে পারবেন। আপনারা এই জন্ম নিবন্ধন কার্ডের ছবি সেখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন না, তার পরেও যদি চান তাহলে স্ক্রিনশট দিয়ে রেখে দিতে পারেন। আর ঠিক এই নিয়ম অনুসরণ করেই আপনারা জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন।

পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার লিংক https://bdris.gov.bd

জন্মনিবন্ধন সনদ ডাউনলোডের লিংক প্রকাশ https://bdris.gov.bd

প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড এর লিঙ্ক সংগ্রহ করতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে সেই লিঙ্ক পেয়ে যাবেন। প্রকৃতপক্ষে আপনারা যখন জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার জন্য গুগলে লিখে সার্চ করেন তখন সেখানে বিভিন্ন ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হয় এবং আপনারা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ না করে বিভিন্ন পাবলিক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন এবং আপনাদের কাঙ্খিত ফলাফল অনেক সময় চাহিদা অনুসারে পান না।

তাই আজকে আমাদের ওয়েবসাইটে জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড লিংক প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই লিংক ব্যবহার করে আপনারা জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার জন্য বিস্তারিত কিছু তথ্য প্রদান করার মাধ্যমে সার্চ অপশনে ক্লিক করলে আপনাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ সেখানে প্রদর্শিত হবে এবং আপনার আবেদন করতে পারবেন।

প্রকৃতপক্ষে আপনার হাতে যে জন্ম নিবন্ধন সনদ রয়েছে সেই জন্ম নিবন্ধন সনদের হুবহু কপি যদি আপনারা অনলাইনে পেতে চান বা দেখতে চান তাহলে আপনাদেরকে এই লিংক ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু এই ডাউনলোড করার অপশন সেখানে নেই বলে আপনারা তা ডাউনলোড করতে পারবেন না এবং এই ক্ষেত্রে আপনারা যদি মোবাইল ফোনে বা আপনাদের ডিভাইসের সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে আপনাদেরকে স্ক্রিনশট দিয়ে রাখতে হবে।তবে অনেকেই নতুন মোবাইল ফোন কিনে অথবা ইন্টারনেটের ব্যবহার শিখে মনে করে যে জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি যদি অনলাইনে পাওয়া যায় তাহলে একটা টেকনোলজি শেখা গেল এবং একটা পদ্ধতি শেখা গেল।

আর আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের যদি কোন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনাদেরকে এই জন্ম নিবন্ধন সনদ আগে যাচাই করতে হবে যে অনলাইনে সংরক্ষণ করা আছে কিনা এবং যদি সংরক্ষণ করা হবে তাহলে আপনাদেরকে পরবর্তী তথ্য সংশোধন করতে হবে। তবে আপনার হাতে থাকা জন্ম নিবন্ধন সনদের অরিজিনাল তথ্য যদি অনলাইনে দেখতে চান তাহলে আপনাদেরকে এখন সেই লিঙ্ক আমরা প্রদান করব এবং এই লিংক ব্যবহার করে আপনারা যে কোন ব্রাউজার থেকে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে প্রবেশ করবেন। জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড এর লিঙ্ক হলো https://everify.bdris.gov.bd/ । প্রকৃতপক্ষে এই লিংক এর নাম হলো জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুসন্ধান করা।

ইউনিয়ন পরিষদ জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার লিংক https://bdris.gov.bd

আপনারা যদি ইংরেজিতে বার্থ সার্টিফিকেট লিখে সার্চ করেন তাহলেও এই লিঙ্ক অনুযায়ী আপনাদের সামনে ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হবে এবং উপরের উল্লেখিত লিংক অনুযায়ী আপনারা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। সেখানে প্রবেশ করার পর আপনাদেরকে তিনটি ঘরে তিনটি সহজ তথ্য প্রদান করতে হবে। প্রথম ঘরে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ এর নাম্বার, দ্বিতীয় ঘরে আপনার জন্ম তারিখ এবং তৃতীয় ঘরে সেখানের গণিতের সমস্যা অনুযায়ী সমাধানের উত্তর প্রদান করে সার্চ অপশনে ক্লিক করবেন।

এতে আপনি যে সকল তথ্য প্রদান করলেন সে সকল তথ্য অনুযায়ী সার্চ করলেই আপনার সামনে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য প্রদর্শিত হবে এবং সেই তথ্য যদি অনলাইনে সংরক্ষিত না থাকে তাহলে আপনার হয়তো সেই তথ্য পাবেন না। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রত্যেকটি তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে বলে আপনারা এই তথ্য খুব সহজেই পেয়ে যাবেন এবং এই তথ্য আপনাদের জন্ম নিবন্ধন সনদের থাকা প্রত্যেকটি তথ্যের সঙ্গে মিলে যাবে।

তবে জন্ম নিবন্ধন সনদের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রধানের যে স্বাক্ষর থাকে সেই স্বাক্ষর আপনারা অনলাইনের কপিতে পাবেন না।কারণ অনলাইন থেকে এই ধরনের কঁপি ডাউনলোড করার পরেই স্বাক্ষরসহ আপনাদেরকে অরিজিনাল কবে প্রদান করা হয় এবং এই ধরনের স্বাক্ষর অনলাইনে সংরক্ষণ করা থাকে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top